Welcome to this website. ### This site create by Md Monjurul Islam Rhakib. ### Thanks for visit this site.

বৈশ্বিক উষ্ণায়ন মানবজাতির অস্তিত্বের জন্য হুমকিস্বরুপ:

বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বা Global warming শুধুমাত্র মানবজাতির জন্য নয় বরং এই পৃথিবীর সকল প্রাণী ও উদ্ভিদের জন্য হুমকিস্বরুপ।

গত ৮-১০-২০১৮ তারিখে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউল থেকে জাতিসংঘ নিয়োজিত Intergovernmentel panel of clymet change (IPCC) এর রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। রিপোর্টে বলা হয়েছে, প্রথম বারের মতো পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পোছে গেছে 1oC এ। কমার পরিবর্তে বেড়েই চলেছে গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমন। প্রতি সেকেন্ডেই, মিনিটে, ঘন্টায়, দিনে, বছরে তাপমাত্রা বাড়তে বাড়তে ক্রমেই জ্বলন্ত অগ্নিকুন্ড হয়ে উঠছে পৃথিবী। মানব সভ্যতার জন্য অপেক্ষা করছে মহাপ্রলয়ের মতো বিপর্যয়। আগামী ১০ বছরের মধ্যেই ভয়ঙ্কর বিপদের মুখে পড়বে পৃথিবী। মহাপ্রলয়ের আশঙ্কায় ভুগছে এই সবুজ মানবগ্রহটি। অবিলম্বে ব্যবস্থা না নিলে ২০৩০ সালের মধ্যেই এই তাপমাত্রা পোছে যাবে দেড় ডিগ্রীতে। পৃথিবীর তাপমাত্রা দেড় ডিগ্রী বেড়ে গেলে কী কী হতে পারে তারও ইঙ্গিত দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এ্যান্টার্কটিকা ও গ্রিনল্যান্ডে আরো দ্রুত বরফ গলবে। দক্ষিণ গোলার্ধের তাপমাত্রা বড়লে তার প্রভাব পড়বে গোটা বিশ্বেই। পাহাড়সম হিমশৈল গলে সমুদ্রের পানিতে মিশবে। পানির স্তরের উচ্চতা ইঞ্চিতে নয়, ফুট হিসেবে বাড়ছে প্রতিবছর। সমুদ্র উপকূলের দ্বীপগুলো ভয়ঙ্কর ক্ষতিগ্রস্ত হবে। মেট্রো শহরগুলো হয়ে উঠবে আরো উত্তপ্ত। এভাবে চলতে থাকলে ২১০০ সালের মধ্যে বিশ্বের তাপমাত্রা 2oC পর্যন্ত বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা বিজ্ঞানীদের।

মহাপ্রলয় থেকে মুক্তির উপায় দুটি। প্রথমত CO2গ্যাস তথা গ্রিন হাউজ গ্যাসের নির্গমন কমাতে হবে । দ্বিতীয়ত এমন কোনো উপায় খুঁজে বের করতে হবে যা পরিবেশে থাকা গ্রিন হাউজ গ্যাস শোষণ করে নিতে পারে। CO2গ্যাস নির্গমনের হার কমানোর জন্য সৌরশক্তি ও জলবিদ্যুতের ব্যবহার আরো ব্যাপকহারে বাড়ানোর উপর গুরুত্ব দিয়েছেন বিজ্ঞানীগণ। বিজ্ঞানীরা আশাবাদী, এটা করলে অন্তত ২০৫০ সালের মধ্যেই পুনরায় জলবায়ুর ভারসাম্য ফিরিয়ে আনা সম্ভব।